Seven sisters fall Meghalaya

চট করে চেরাপুঞ্জি

গত বছর মেঘালয়ের একটা দিক ঘুরে এসেছিলাম, road trip । Krang Suri falls, Phe Phe falls, Dawki lake দেখে মন, চোখ জুড়িয়ে গেছিলো। কিন্তু সময়াভাবে চেরাপুঞ্জি ঘোরা হয়নি। অবশ্য তখন falls দেখার season ও ছিলো না। তাই পরবর্তীতে সুযোগ হতেই টুক করে ঘুরে চলে এলাম, সঙ্গী এক বন্ধু, সস্ত্রীক।

এবারের trip public transport এ। অফিস এখন North Bengal এ posting দিয়েছে, আমার জন্য prize posting!! 🤣। তাই 7hrs এর ছোট্ট train journey করেই পৌঁছে গেলাম Guwahati। Station এ একটু খেয়াল করতে হবে। 1no. platform দিয়ে বেরোলে হবে না। Over bridge এ উঠে উল্টো দিকে বেরোলেই পল্টন বাজার। এখান থেকে Shillong এর share গাড়ি ছাড়ে। 5 seater গাড়িতে 500, দরদাম করলে একটু কমতেও পারে। 10 seater গাড়িতে fixed 300 টাকা। ঘন্টা আড়াই এর journey, পথেই পড়বে বিশাল Umiam lake, যদিও share গাড়ি দাঁড়াবে না।

Umiam Lake

Shillong এর পুলিশবাজার পৌঁছতে প্রায় বিকেল, তাই পৌঁছেই তড়িঘড়ি খোঁজ করলাম চেরাপুঞ্জির গাড়ির। Rate 5seater এর 1500, 7seater এর 3000। Share গাড়ি নেই (বা জানতে পারিনি), তাই একা যেতে হলে একটু ঝামেলা। দু’ ঘন্টা মতো লাগে। পথে driver দাদাকে request করে দাঁড়ালাম Mawdok Dympep valley view point এ। এখানে কিছুটা সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেলে একটা waterfall আছে, সেটা দেখতে গেলাম। উচ্ছল জলরাশি দেখে একটা আভাস পেয়ে গেলাম যে এই চেরাপুঞ্জি trip টা বেশ ভালো হতে চলেছে!! 😇। এই view point এর পাশে zipline করারও ব্যবস্থা আছে।

এরপরে সোজা চেরাপুঞ্জি। প্রসঙ্গত বলে রাখি যাহা আমাদের কাছে চেরাপুঞ্জি, তাহাই local লোকজনের কাছে সোহরা। তাই রাস্তায় অনেক জায়গায় দেখতে পাবেন, সোহরা বা সোহরার পথনির্দেশ লেখা।

চেরাপুঞ্জি পৌঁছে মূল taxistand এর কাছে খোঁজাখুঁজি করে একটা ছোটো homestay তে উঠলাম, ব্যবস্থাপনা basic। Already গোধূলি পেরিয়ে সন্ধ্যার দিকে যাচ্ছে, তাই একটু fresh হয়েই বেরোলাম, পরদিনের ঘোরাঘুরির গাড়ির খোঁজ করতে। Scooty rent দেয়, এমন একজনের যোগাযোগও পাওয়া গেলো, Nam Marbaniang (8837208319)। তবে আমরা তিনজন, plus বর্ষাকাল, তাই গাড়ির কথাই ভাবলাম। কাছাকাছির মধ্যে যে points গুলো, সেগুলো ঘোরার rate 500 টাকা per point। এর মধ্যে থাকবে Nohkalikai falls, Mawsmai cave, Seven Sisters falls, Arwah caves। এর সাথে আমরা add করলাম Wah-Kaba falls, Garden of Caves, Wei Sawdong falls আর Dainthlen falls। Donbok (8798184835) এর সাথে কথাবার্তা final করে taxistand এর উল্টোদিকেই একটা restaurant এ local style এর dinner সেরে দিনের সমাপ্তি। বেশ tiring day।

পরদিন সকাল সকাল বেরিয়ে দেখলাম কাছেই আরেকটা ছোটো দোকানে খাওয়ার পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে প্রায় সারা দিনই ভাত পাওয়া যায়। আমিও মহা আনন্দে local দের অনুসরণ করে ভাত, আলুভাজা আর চা খেয়ে নিলাম!! দিনের শুরুতে পেট ভর্তি করে নিতে পারলে আমি নিশ্চিন্ত!! এরপরে শুরু হলো ঘোরার পর্ব।

প্রথমেই পৌঁছলাম Nohkalikai falls। View point এ পৌঁছেই মনটা বেজায় খুশি হয়ে গেলো!! বর্ষার উপচে পড়া ঝর্না, তার সাথে রোদ ঝলমলে দিন, ঠিক যেন ছবির মতো।

এখান থেকে minute কুড়ি দূরত্বে Seven Sisters falls viewpoint। সেই কোন ছোটো বেলা থেকে চেরাপুঞ্জি আর এই falls এর নাম একসাথে শুনে আসছি। ছোটবেলায় একবার দেখেওছি, তবে সেই অভিজ্ঞতা এখন আর স্মৃতিতে নেই। তাই পুরো নতুন করেই আবার দেখলাম। বর্ষাকাল বাদ দিলে এই falls এ এখন আর জল থাকে না বললেই চলে। তবে এই সময়টায়, একধারে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে একাধিক ঝর্নার নেমে আসা, পিছনে দিগন্ত বিস্তৃত উপত্যকা, একসাথে এক frame এ দারুণ লাগে।

এর পাশেই Mawsmai cave। এতক্ষন ঝকঝকে রোদে ঝর্না দেখার পরে একটু প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন। কৃত্রিম আলোয় প্রকৃতির নকশিকাঁথা। জল, চুনাপাথরের সমন্বয়ে বিভিন্ন সব কারুকার্য হয়ে রয়েছে অন্ধকার গুহা জুড়ে। তবে গুহার দু’এক জায়গা পেরোনোর জন্য শরীরকে একটু ভেঙেচুরে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে, নতুবা এখানে সেখানে ঠোকা খাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। তাই অগ্রিম সতর্কবার্তা।

এখানে একটা গুহা public এর জন্য। তার পাশে আরেকটা গুহা আছে adventurer cave explorer দের জন্য, যেটায় যাওয়ার জন্য আলাদা permission, plus gears ও লাগবে। Recently Manjummel Boys movie টাও দেখেছি, তাই fear-driven-curiosity থেকে একটা ধুঁ মেরে এলাম একটুখানি ঢুকে। নাহ্, বেজায় risky একটা ব্যাপার। অন্ধকার, আর যেখান দিয়ে further ভিতরে যেতে হবে বলে মনে হলো, সেখান দিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায় শুয়ে শুয়ে ঘষে ঘষে যাওয়া। 🫣😱

এর পরে এগোলাম আরেকটা cave এর দিকে, Arwah caves। Mawsmai cave এর আঁকিবুঁকির বিচারে এর জৌলুশ একটু ফিকে (মতামত ব্যক্তিগত)। Caves এর মধ্যে দিয়ে একটা ছোটো স্রোত বয়ে চলেছে। তার অল্প আওয়াজে একটা বেশ আলাদা রোমাঞ্চ হয়। এই caves এর বাইরে থেকে Wah-Kaba falls দেখতে পাওয়া যায় দূরে, যেটা আমাদের পরবর্তী গন্তব্য। তবে ইতিমধ্যে আমার বাকি দুই সঙ্গীর বেশ ক্ষিদে পেয়েছে, আমার মতো সক্কাল সক্কাল ভাত গেলাটা যাদের dictionary তে ছিলোনা!! তাই caves এর gate এর মুখে restaurent এ ঢুকলাম। খাওয়া শুরু হতে না হতেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামলো। খাওয়া সেরে, বৃষ্টি একটু কমতে, তারপরে বেরোলাম।

Arwah Caves এর বাইরে থেকে, দূরে Wah-Kaba falls দেখার যে ভালোলাগাটা, সেটা কাছ থেকে দেখে অতটা পাওয়া যায় না, কারণ বিশালত্বটা আর ধরা দেয় না। তবে Wah Kaba falls এর মাথায় পৌঁছনো যায়। অল্প কিছু সিঁড়ি ভাঙ্গার ব্যাপার আছে। এখান থেকে দূরে এক পাহাড়ের মাথায় চোখ পড়ে, দেখে মনে হয় কেও যেনো নমস্কার করে রয়েছে। ছবি দিলাম, দেখুন তো আপনাদেরও সেরকম লাগছে কিনা..

এখান থেকে বেরিয়ে যতক্ষণে Garden of Caves এ পৌঁছলাম, বেশ জোরে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। এই spot এ camera র জন্য আলাদা charge। বৃষ্টির কারণে বের করতে পারবো কিনা নিশ্চয়তা নেই, তাই গাড়িতেই রেখে গেলাম camera। Entry fee অন্য spot গুলোর থেকে একটু বেশি, 100 INR per head। তবে বেশ বড় area জুড়ে, directions mark করা আছে, staff ও আছে guide করার জন্য। প্রতিটা দ্রষ্টব্যের পাশে তার বর্ণনা লেখা আছে ছোটো board এ।

এই garden এ একটা বেশ interesting জিনিস আছে। পাথরের একটা ছোট্ট ফুটো দিয়ে বেরিয়ে আসছে জলধারা, এর স্থানীয় নাম Um Dawai। স্থানীয়দের বিশ্বাস এই জল খেলে সব রোগমুক্তি হয়ে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই বেশ ভিড় এর আশেপাশে, হুড়োহুড়ি আটকাতে staff রেখে movement restrict করা আছে। এই organized ব্যাপারটা ভালো লাগে, শেখার আছে। অনেকেই বোতলেও ভরে নিয়ে যাচ্ছেন, দেখলাম। বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তাই সুযোগ আসতে কালবিলম্ব না করে আমিও খেয়ে নিলাম। প্রমাণস্বরূপ ছবিও তুলিয়ে নিয়েছি!!!

অনেকটা সময় কাটিয়ে এই spot টা ঘোরা যখন শেষ হলো, তখন বাজে ঠিক 3 টে। হিসেব করে দেখা গেলো একটু চেষ্টা করলে আরো দুটো spot, Wei Sawdong falls আর Dainthlen Falls ঘোরা সম্ভব। সেই মতো Donbok এর সাথে কথা বলে একটু দরদস্তুর করে ওকে রাজি করানো গেলো!! তারপরে চললাম Wei Sawdong falls এর দিকে। মূলত বন্ধুর বউয়ের আবদার ছিলো এখানে আসার। এসে বুঝলাম না এলে সত্যিই miss হয়ে যেতো। শুধু বর্ণনায় প্রকাশ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, তবে তিন ধাপে নেমে আসা এই falls উপরের view point থেকে দেখে অসাধারণ লাগে। ছবি দেখলে ভালো বোঝা যাবে। প্রতিটা ধাপের নিচে natural pool তৈরি হয়েছে। একদম শেষ ধাপের নিচে যে pool, সেখানে বেশ ভিড়। আশেপাশে বর্ষার শেওলা ঢাকা খাড়াই পাহাড় প্রাগৈতিহাসিক যুগের কথা মনে করায়।

Wei Sawdong falls

এর কাছেই Dainthlen Falls, তবে Wah-Kaba falls এর মতোই এই falls টাও দুর থেকেই ভালো দেখা যায় বা দেখতে বেশি ভালো লাগে। Falls এর কাছে যেখানটায় পৌঁছনো যায়, সেটা falls এর উপরের অংশ, সেখান থেকে falls এর সৌর্ন্দয্য দেখতে পাওয়া একটু কঠিন। আর ভালোভাবে দেখতে চাইলে জলে পা ডুবিয়ে কিছুটা ঘুরে অন্য দিকে যেতে হবে। বিকেল বেলায়, সারা দিনের ক্লান্তির পরে আর সেই কষ্ট করতে চাইনি। তাই এই falls আমার মনে সেভাবে দাগ কাটেনি!! তবে, এখান থেকে সূর্যাস্ত দেখেছি দুর্দান্ত। মেঘ আর রোদের লুকোচুরি দেখেছি মন ভরে। তাই দিনটা শেষ করেছি খুব সুন্দর কিছু মুহূর্ত চাক্ষুষ করে।

Dainthlen Falls and Wah-Kaba falls
Dainthlen Falls এর কাছে দেখা সূর্যাস্ত, মেঘ-রোদের লুকোচুরি

পরদিনটা পুরোটাই রাখা ছিলো Cherapunji র iconic Double Decker Root bridge দেখে, সেখান থেকে Shillong ফেরার জন্য। সেইমতো সকাল সকাল homestay থেকে ব্যাগপত্তর গুছিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। Donbok ও সকাল সকাল হাজির। কমবয়সী ছেলেটা বেশ ভালো। গাড়িও চালায় ভালো।

0830 নাগাদ পৌঁছে গেলাম যেখান থেকে অগুনতি সিঁড়ি ভেঙে নেমে যেতে হবে Double Decker Root bridge এর দিকে। বৃষ্টির সম্ভাবনা, তাই জলের সাথে সাথে ছাতা, raincoat ও সঙ্গে নেওয়া হলো। পথের দু’পাশে বর্ষার সৌর্ন্দয্য; বিভিন্ন গাছগাছালি নানা রূপে যেনো সেজে রয়েছে বৃষ্টির জলে পুষ্ট হয়ে।

সেইসব দেখতে দেখতে নামতে থাকলাম। বেশ কিছুটা নামার পরে পথনির্দেশ দেখালো একদিকে Single Decker Root bridge, আর অন্যদিকে এগিয়ে যেতে হবে Double Decker Root bridge এর দিকে। ফেরার পথে কি পরিস্থিতি থাকবে জানা নেই, তাই প্রথমে Single Decker Root bridge দেখতেই চলে গেলাম।

প্রকৃতির শক্তি আর মানুষের প্রয়োজন, দুইয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল এই root bridge, তৈরি হতে লেগেছে বহু বছর। আর সেটাই এখন প্রাকৃতিক আশ্চর্য হয়ে ধরা দেয় আমাদের চোখে। কিছুটা সময় কাটিয়ে এগোলাম Double Decker Root bridge এর দিকে।

আরো প্রায় ঘণ্টা খানেক পরে, গোটা দুয়েক hanging bridge পেরিয়ে, যখন পেট খিদেয় চুঁইচুঁই করছে, তখন একটা দোকানে বসে Maggi খাওয়া হলো। আহা, সেই সময়ে আর পরিস্থিতিতে তার স্বাদ যেনো বিরিয়ানিকেও ছাপিয়ে যাবে!! একটু rest নিয়ে, toilet use করে আবার এগোনো শুরু।

আধ ঘন্টা পরেই পৌঁছে গেলাম Double Decker Root bridge, সময় তখন 11টা। ভিড় ভালোই। পাশেই ঝর্না, তার জল বয়ে চলেছে root bridge এর নীচ দিয়ে। এতক্ষণের ক্লান্তির পরে সেই ঝর্নার জলে পা ডুবিয়ে বসলাম, বসেই বুঝলাম প্রকৃতি ক্লান্তি নিরসনের আরো ব্যবস্থা করে রেখেছে। সেই বহমান জলেই আছে free fish spa র ব্যবস্থা।

ফেরার পথে আবার বসবো ভেবে অল্প সময় কাটিয়েই এগোলাম, যদি Blue Lagoon আর Rainbow Falls টাও দেখে আসা যায়, এই আশায়… ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো। আমাদের Shillong ফেরার ছিলো, তাই Donbok বলে রেখেছিলো তিনটে, max সাড়ে তিনটের মধ্যে start করতেই হবে। ওই ক্লান্ত শরীরে কিছুদূর এগিয়েই বুঝলাম, Rainbow falls অবধি যাওয়া যাবে না। ভাবলাম, অন্তত Blue Lagoon টা দেখে যাই। এটা আরেকটা unfortunate decision ছিলো, কারণ সেখানে পৌঁছে জানলাম সেটা বর্ষায় বন্ধ থাকে। সেটা ticket counter এই বলে দিতে পারতো, কোনো একটা অজ্ঞাত কারণে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি। মাঝখান থেকে এইসব দেখার লোভে যে সময়টা নষ্ট করে ফেললাম, সেটা ওই double decker root bridge এর কাছে বসে free fish spa করাতে পারতাম ভেবে আফসোসটা যেনো আরো বেড়ে গেলো… 😭😭

এইজন্যই বলে সব কিছু পাওয়ার আশায় না দৌড়তে, in search of gold, we almost always loose the diamond!!

ফেরার সময় বৃষ্টিও বাড়লো, তার সাথে বাড়লো আর্দ্রতার কারণে কষ্ট, আর সেইসব নিয়ে ওই হাজার হাজার সিঁড়ি ভেঙে উপরে ওঠাটা একটা বেশ কষ্টকর অধ্যায় ছিলো!!

উপরে উঠতে উঠতে দেখলাম local ছেলেরা temporary stretcher নিয়ে ready হয়ে আছে, কাহিল হয়ে যাওয়া লোকজনকে উপরে নিয়ে যাওয়ার জন্য। খরচ নির্ভর করছে কতদূর থেকে আপনি হাল ছেড়ে দিলেন, আর আপনার ওজনের উপরে। আর যেহেতু সেই পরিস্থিতিতে আপনার করনীয়ও কিছু নেই, তাই সোজা বাংলায় you are at their mercy!! তাই নিজের ক্ষমতায় ভরসা না থাকলে হাজার আটেক টাকা সাথে রেখে দেওয়াই সমীচীন।

আক্ষরিক অর্থেই মাথার ঘাম শুধু পায়ে নয়, সারা শরীরে ফেলতে ফেলতে উপরে parking এ পৌঁছলাম তিনটে নাগাদ। জামাকাপড় না বদলে Shillong এর যাত্রা শুরু করা সম্ভব ছিলো না। সেইসব করে আধ ঘণ্টা মতো পরে ফেরার পথ ধরলাম Shillong এর উদ্দেশ্যে।

Tour এর বাকি অংশ বিশেষ ঘটনাবহুল নয়।

Shillong পৌঁছে পুলিশবাজারের কাছেই একটু খোঁজাখুঁজি করে একটা hotel এ ঢুকে একটু fresh হয়ে সন্ধের বাজারটা একটু ঘুরে, dinner করে, দিন শেষ।

পরদিন সকাল সকাল share গাড়ি ধরে Guwahati। পৌঁছে breakfast করে auto খুঁজছি কামাখ্যা মন্দির যাবার জন্য, কারণ train দুপুরে 1220 নাগাদ। যে দাদা auto নিয়ে হঠাৎ হাজির হলেন, তাকে কিন্তু মনে থাকবে। শিব ঠাকুরের মতো চেহারা, হাতে বালা, বড় চুল পিছনে বাঁধা, কানে গোল দুল, auto তে শিবজীর, হনুমানজীর ছবি, auto র handle এ অল্প মাটি দিয়ে ছোটো তুলসী গাছ বসানো, কথাবার্তা, হাবভাবের মধ্যে একটা অদ্ভুত আবিষ্ট করার মতো aura। আর তাই, নাম জানার পরেও একটুও অবাক হইনি, Shankar। কামাখ্যা মন্দিরে পৌঁছে দিলেন, পুজো দেওয়ার ছিলো না, শুধু দর্শন করার জন্য যাওয়া। তাই ওনাকেই request করলাম একটু থেকে আমাদের Guwahati station এ নামিয়ে দেওয়ার জন্য। অল্প কথায় রাজিও হয়ে গেলেন। Guwahati র এই ছোট্ট পর্বটুকু ওনার জন্য মনে থেকে যাবে।

এই ভ্রমণ বিবরণীর ইতি টানবো শেষ বেলার একটা embarrassing ঘটনা বলে। তো হয়েছে কি, train এ 2A তে নিজের seat এ বসে finally উপলব্ধি করছি দৌড়াদৌড়ি হলেও বেশ ভালো একটা tour হলো। অনেকদিনের ইচ্ছা ছিলো double decker root bridge দেখার, সেটাও হলো। এইসব ভাবতে ভাবতে খুশি খুশি মনে আরো একটু relax করার জন্য যেই না জুতোটা খুলেছি, ওমনি দেখি পাশে যেকজন সহযাত্রী ছিলেন, কেও অন্য দিকে মুখ ঘোরাচ্ছে, কেও নাকে রুমাল চাপা দিচ্ছে, কেও বা বহু কষ্টে straight face maintain করলেও বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে অস্বস্তিটা। আসলে আগেরদিন ওই বৃষ্টিতে সারাদিন ঘোরা হয়েছে, তারপর জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকার পরে আবার জুতো পরার আগে সেভাবে পা শুকোনোর সুযোগ পাইনি। সেই সব নিয়ে case পুরো কিচাইন!! এবারে AC compartment, জুতো বাইরেও রেখে আসতে পারিনা। অনেকক্ষণ ভাবনা চিন্তা করে দেখলাম, মূল culprit মোজা, তাকে একটা plastic এ মুড়ে bag এ ভরলাম। পরিস্থিতি কিছুটা আয়ত্তে এলো। তারপরে জুতো seat এর নিচে যতটা ভিতরে ঠেলা যায় ঠেলে, আমার upper birth এ উঠে পড়লাম!! সেই দিনের সহযাত্রীদের অসুবিধার জন্য সত্যিই ক্ষমাপ্রার্থী!! 🙏🙏

Travel Itinerary:
Day 1: Reach Guwahati and take a cab to Shilong and another cab to Cherrapunji/Sohara.

Places to visit: Umiam lake on the way

Day 2: Cherrapunji sightseeing by car/scooty

Places to visit: Nohkalikai falls, Seven Sisters falls viewpoint, Mawsmai cave, Arwah caves, Wah-Kaba falls, Garden of Caves, Wei Sawdong falls, Dainthlen Falls

Day 3: Cherrapunji sightseeing, back to Shillong

Places to visit: Iconic Double Decker Root bridge by trek, Blue Lagoon and Rainbow Falls if possible, shopping at Policebazar in Shilong

Day 4: Shared cab to Guwahati. Return journey.

Places to visit: Kamakya temple

Public Transport: Apart from cab, shared vehicles are available in all the places.

What to eat?
Traditional food thali(includes rice & spicy meat), momo, fruits etc.

Shopping:
Meghalaya: Handicrafts made of bamboo, Eri silk, Policebazar is the shopping paradise in Shillong.
Guwahati: Handloom items, Silk saree, Assam tea

Trip cost:

Approx ₹10k per person
Cab: ₹500-1000 per person per day
Stay: ₹600-1000 per person per day
Food: ₹500+ per day
Ticket: ₹500 total

Best time to visit Cherapunji, Meghalaya:

Throughout the year. Rainy season for falls and November for the calm blue water and swimming experience.


< Pratik, an Electrical Engineer by profession, is passionate about electric gadgets and loves to do DIY home automation kind of work himself. An avid traveller, who loves to plan his own trip with family, friends and senior citizens. Originally from the land of Nobel laureate Rabindranath Tagore, Bolpur-Santiniketan. Currently lives in Falakata, North Bengal. >


Comments

One response to “চট করে চেরাপুঞ্জি”

  1. Dr. Tapan Kumar Pal Avatar
    Dr. Tapan Kumar Pal

    Khub sundor lekha hyeche

    Liked by 2 people

Leave a Reply to Dr. Tapan Kumar Pal Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *