Flight এ গেলে weekend এর সাথে অন্তত একটা বা দুটো দিন জুড়ে নিলেই এই উপত্যকায় একটা ছোট্ট trek এর জন্য যথেষ্ট।
আমার এরম ছোটো trek ভালো লাগে, যেখানে বেশি বাক্স প্যাঁটরা গুছনোর ঝক্কি নেই, খোলা আকাশের তলায় প্রাকৃতিক কার্য্য করার বিপত্তি নেই, তবে দিনের শেষে no-nonsense trekkers hut এ গরম বিলাস-বিহীন খাবারের ব্যবস্থা আছে, আর আছে পাহাড়ি মানুষের আন্তরিকতা।
নাগাল্যান্ড আর মণিপুরের সীমানা বরাবর এই জুকু উপত্যকা। আর এই সীমানা নিয়ে যথেষ্ট উত্তেজনাও আছে দুই রাজ্যের মধ্যে। এমনিতেই North East এর state গুলোতে যাওয়ার কথা ভাবলেই অনেকে অনেক সতর্কতা মূলক উপদেশ দেন, এবারেও পেয়েছি। অনভিপ্রেত যদিও কিছু ঘটেনি আমাদের সাথে, তবে ঘটার যথেষ্ট সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, সে কথায় পরে আসছি।
কলকাতা থেকে সকালের direct flight এ পৌছালাম ডিমাপুর। এই শহর আসামের লাগোয়া, আর নাগাল্যান্ডের একমাত্র rail যোগাযোগ এই শহরের মাধ্যমেই।
আমাদের তিন জনের backpackers group, prefer করি public transport। Airport থেকে বেরিয়ে একটু হাঁটলেই পাওয়া যাবে main road, যেখানে local auto পাওয়া যায় মূল শহরের দিকে। তবে airport এই আমরা auto পেয়ে গেলাম 400 টাকায়, আর যেহেতু সেই দিনেই আমাদের পৌঁছতে হবে জাখামা, তাই আর হাঁটার ঝক্কি নিলাম না। Auto র ভাই অসাধারণ (কিন্তু ভয়ংকর) দক্ষতায় বেশ কয়েকবার প্রায় ওলটানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি করেও না উল্টিয়ে আমাদের পৌঁছে দিলো share taxi stand এ। এই taxi stand এর পাশেই ডিমাপুর rail station আর bus stand। রাস্তায় বেশ heavy traffic পেলাম, যেটা সত্যি কথা বলতে, নাগাল্যান্ডে পাবো ভাবিনি।
এখান থেকে গন্তব্য কোহিমা। 4 seater গাড়ির ভাড়া 400 টাকা per head, আর 7 seater গাড়িতে 300। রাস্তায় এক জায়গায় tea-break। সেখানে খেলাম omlete ঢাকা দিয়ে serve করা chow। আমার এক সঙ্গী বিজ্ঞ-মুখ করে বললো, ‘দেখছো চাউ কি চকচক করছে!! Pork এর চর্বি দিয়ে বানিয়েছে।’ এই বক্তব্যের ভিত্তি বলতে পারবো না, তবে চাউ এর স্বাদ বেশ ছিলো, সেটুকু বলতে পারি!!
প্রায় আড়াই ঘন্টা পরে পৌছালাম কোহিমা। পরবর্তী যাত্রা শুরুর আগে lunch করে নেওয়ার উদ্দেশ্যে একটু এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি। এরই মধ্যে local market এ দেখতে পেলাম plastic এর packet এ ভরে ভরে রাখা আছে জ্যান্ত ছোটো ছোটো ব্যাঙ!! আর পাশেই লাল গামলায় বেশ বড় বড় size এর ব্যাঙ!! এই সব দেখে আমরা খেতে চলে গেলাম। আর প্রথম shock পেলাম। না, যে shock টা ভাবছেন, সেটা নয়। Chicken order করে আমরা chicken ই পেয়েছিলাম। তবে যেটা বুঝলাম, আমরা chilly chicken, chilly fish বলতে যেটা expect করি, এদিকের গল্পটা সেরম নয়। এখানে যেকোনো chilly dish এর মূল উপকরণ হলো প্রচুর পরিমাণে ঝাল chilli। সে বেছে টেছে খাওয়া গেলো। আর chicken ও ঠিক fresh নয়, fridge এ রাখা মনে হলো (নিন্দুকেরা হয়তো বলবেন ওটা chicken ই নয়!!)। যাই হোক, মিলিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যে আর chicken খাওয়া হবে না!!
খাওয়ার পর্ব চুকিয়ে 7-seater sumo তে Per head 80 টাকা করে দিয়ে আরো ঘন্টা খানেক পরে পৌছালাম জাখামা। জাখামাতে অনেক homestay। তবে বিভিন্ন group এ search করে আর অন্যান্য travelogue পরে আমরা আসার আগে যোগাযোগ করেছিলাম Dawn Homestay র Rovitono দিদির সাথে (+91 85758 26863)। যেহেতু ছোটো জায়গা, share taxi র দাদা নাম শুনেই চিনতে পারলেন আর নামিয়ে দিলেন homestay র সামনে। দিদির ব্যবহারের কথা পড়েছিলাম, দেখা হওয়ার পরে ওনার অমায়িক আর আন্তরিক ব্যবহারে উপলব্ধি করলাম কেনো ওনার এতো সুনাম।
একটা room (attached bath with geyser) আমাদের জন্য ready করে রেখেছিলেন, শুধু মুখের কথায়। কোনোরকম advance ছাড়া। Per head 800 টাকা, যার মধ্যে ধরা আছে dinner আর breakfast। যদিও dinner এ chicken ই পাওয়া যেতো, কিন্তু আমরাই সেটার পরিবর্তে egg bhurji করতে বলে, একটু fresh হয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ঘড়িতে তখন ওই তিনটে মতো বাজে। বেরোনোর মুখে দেখলাম ওদের বাড়ির পোষা নেড়িটিকে!! তখন খেয়াল হলো, যেরকম আসার আগে শুনেছিলাম, এতক্ষণের যাত্রাপথে সত্যিই কিন্তু রাস্তাঘাটে কুকুর দেখিনি!!!
জাখামা তে আছে ‘Naga Heritage village’, যেখানে বিভিন্ন নাগা tribe দের culture, বসবাসের ধরন তুলে ধরা হয়েছে। বলে রাখা ভালো, এইখানেই হয় Nagaland এর বিখ্যাত উৎসব, ‘Hornbill festival’.


ফিরে এসে dinner করার সময় আলাপ হল কেরালা আর দিল্লির দুজনের সাথে। একজন আপাতত চাকরিতে break নিয়ে গত তিন-চার মাস ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অন্যজন Royal Enfield Himalayan নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে, weekday তে ‘work-from-neither-home-nor-office’ আর weekend এ exploration!! তো এই সব শুনে বুকের ভিতরটা আবার চিনচিন করে উঠলো!! সেই নিয়েই ঘুমিয়ে পড়লাম।
এই জুকু valley trek এর একটা মজা আছে, পৌঁছানোর দুটো route, একটা Jakhama হয়ে, আরেকটা Viswema হয়ে। Jakhama route এর দূরত্ব কম, কিন্তু শুরু থেকে শেষের একটু আগে অবধি জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পুরোই খাড়াই রাস্তা। এই route fit আর experienced trekker দের জন্য। আর Viswema route এর শুরুতে কিছুটা পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে খাড়াই, তার পর থেকে প্রায় সমতল, তবে দূরত্ব বেশি। first time trekker দেরও এই route এ অসুবিধা হবে না।

পরদিন সকালে Rovitono দিদির ঠিক করা গাড়িকে 2000 টাকা দিয়ে মহা দুর্গম পথ অতিক্রম করে ঘন্টাখানেক পরে আমরা পৌছালাম Viswama। সেখান থেকে হাঁটা শুরু। যদিও নিয়মমতো, guide নিয়েই যাওয়ার কথা, তবে checkpoint এ কোনো মানুষজন দেখলাম না।
জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে রাস্তা, মধ্যে মধ্যে গাছের গায়ে লেখা আছে যীশুর বাণী। তারই মধ্যে দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে পাহাড়ের মাথায় পৌঁছে গেলে, সেখান থেকে এগোতে হবে ডানদিকে। এখান থেকে চারিদিকে তাকালে দেখা যাবে শুধুই ছোটো সরু বাঁশ গাছের ঝাড়।
শীতের শেষে শুকনো বাঁশ পাতায় প্রায়ই আগুন লাগে, আর সেই আগুন ছড়িয়ে যায় বিস্তীর্ন অঞ্চল জুড়ে। তারই নিদর্শন দেখলাম চারিদিকে। বাঁশ গাছের ঝাড়ের মাঝে থাকা বড়ো গাছও রক্ষা পায়নি সেই দাবানলের প্রকোপ থেকে। March মাসে সেই শুকনো পাতা, নতুন গজিয়ে ওঠা কচি সবুজ পাতা আর সদ্য পুড়ে যাওয়া কালো পাতা মিলিয়ে মিশিয়ে পেলাম এক আশ্চর্য পরিবেশ। সেই মাথা সমান বাঁশ ঝাড়ের মধ্যে দিয়ে ঝোড়ো বাতাসের ধাক্কা খেয়ে চলতে চলতে এক সময় দূরে দেখা যায় সেই জুকু valley। কোনো পরিচিতির দরকার পড়ে না!! ছোটো ছোটো পাহাড়ের মাঝে valley। আর বাঁশঝাড়ে ঢাকা পাহাড় দূর থেকে দেখে মনে হয় যেনো মসৃণ মখমলে মোড়া!!

সেই জুকু valley এর ডান দিকের পাহাড়ের মাথায় সবুজ টিনের বাড়ি, দেখতে পাওয়া যায় অনেক দূর থেকেই। ওটাই Dzükou Valley Guest House। হাঁটা পথের মোট দূরত্ব, বিজ্ঞঘড়ির হিসেবে, ওই 7km মতো। Dzükou Valley র entry fee দিতে হলো 100 টাকা প্রতিজন। থাকার ব্যবস্থা তিন রকমের – double bedroom with blanket, mat and attached bath 1500/-. Dormitory 50/- per head. Blanket small 50/-, big 100/-, pillow 50/-, mat 50/- per night.
দুটো Dormitory room আছে, একটা কাঠের মেঝে, অন্যটা সিমেন্ট। এক সফরসঙ্গীর ইঁদুরাতঙ্ক, অগত্যা choose করা হলো সিমেন্টের মেঝের dormitory!! Toilet এর জল বয়ে আনতে হবে 50m দূর থেকে, আর private room থেকে এই দূরত্ব আরো বেশি, প্রায় 200m, তাই বাদ।
Omelette (80/-), Maggi (60/-), চা (30/-) etc. পাওয়া যাবে প্রায় সারাদিনই। Lunch আর Dinner এ ভাত, ডাল, আলুর তরকারি (200/-)।
Guest house থেকে মিনিট দশ হেঁটে গেলে একটা helipad আছে। আর guest house এর private room গুলোর কাছে একটা bench আছে। এই দু’জায়গাতেই বসে থাকলে সময় কেটে যায়। পাহাড়ের আড়ালে সূর্য্য অস্ত যাওয়ার সাথে সাথেই ঠান্ডা বেড়ে যায় কয়েকগুণ, সাথে কনকনে হাওয়া। অন্ধকার হওয়ার আগেই জল বয়ে নিয়ে এসে রেখে দেওয়ার জন্য আছে নীল বড় জারের ব্যবস্থা। রাত্রে ওই ঠান্ডার মধ্যে খেতে বেরিয়ে মন ভালো হয়ে যায় আকাশে তারার সমাবেশ দেখে!! শহরের আলোর অনুপস্থিতি উপভোগ করা যায় সর্বতোভাবেই।
সকালে guest house এর আশেপাশে কয়েক জায়গায় দেখলাম বরফের হালকা আস্তরণ। ধীরে ধীরে সূর্য্যোদয়ের আলো পাহাড়ের মাথা ছুঁয়ে নেমে আসে কুয়াশাচ্ছন্ন উপত্যকায়। দূরে একটা টিলার উপরে দেখতে পাওয়া যায় একটা সাদা cross!! Breakfast সেরে যাত্রা শুরু ওই cross এর উদ্দেশ্যে। Helipad এর পাশ দিয়ে রাস্তা, সরু বাঁশের ঝাড়ের মধ্যে দিয়ে। শুরুতে বাঁ পাশ দিয়ে বয়ে চলা যে নদী দেখতে পাওয়া যায় প্রায় 150ft (চোখের আন্দাজ) নিচে, কিছু দূর নেমে যাওয়ার পরে সেই নদীই বয়ে চলে পাশ দিয়ে। মধ্যে মধ্যে বিভিন্ন পাথরে খোদাই করা রয়েছে ইতিপূর্বে আসা camper দের উপস্থিতির ইতিহাস, যদিও বর্তমানে এই valley তে camping নিষিদ্ধ।
দুটো ছোটো পাহাড়ি ঝোরা পেরিয়ে এই cross এর কাছে পৌঁছে এক দারুন ভালোলাগা আর শান্তি উপলব্ধি করা যায়। cross এর নিচে বসে থাকলে আর উঠতেও ইচ্ছে করেনা। কিন্তু lunch এর সময় হয়ে যাবে, অগত্যা ফিরে আসা।
এই guest house চত্ত্বরে কোনো network নেই। কিন্তু পিছনের পাহাড়ের মাথায় পৌঁছতে পারলে network তো পাওয়া যায়ই, সাথে পাওয়া যায় একটা অসাধারণ 360° view। সেই লোভে, guest house এর caretaker এর থেকে রাস্তা জেনে নিয়ে lunch এর পরে আবার হন্টন। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বেশ চড়াই রাস্তা, কিন্তু উঠে পড়তে পারলে, মুহূর্তেই সেই কষ্ট লাঘব!! একদিকে জুকু valley, তার উল্টো দিকে জাখামা গ্রাম, আর বাঁদিকে দেখা যায় Viswema দিয়ে হেঁটে আসা রাস্তা। পাহাড়ের এই মাথা থেকে নামার জন্য জঙ্গলের পথ ছাড়াও আরেকটা পথ আছে, তবে সেও ততোধিক দুর্গম। সূর্যাস্ত না দেখে এখান থেকে যেতে ইচ্ছা করে না, কিন্তু অন্ধকার হয়ে গেলে এই দুর্গম পথে ফেরা অসম্ভব হয়ে পড়বে, সেই ভেবে ফিরে আসতে হয়।
জুকু valley থেকে ফেরার সময় আর Viswema route নয়, Jakhama route ধরলাম। শুরুর কিছুটা রাস্তা বেশ চড়াই, সেইটুকু পেরোলেই পৌঁছে যাওয়া যায় পাহাড়ের মাথায়, সেখান থেকে বাকি রাস্তা জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে, শুধুই নামা। এই ভাবে নামতে নামতে এক সময় গাড়ির আওয়াজ পাওয়া যায়, আর সেখান থেকেই বিরক্তির শুরু!! গাড়ির আওয়াজ পাওয়া মাত্রই শারীরিক অবসন্নতা মনকেও গ্রাস করে, আর আওয়াজ পেলেও আদপে সেই গাড়ির রাস্তায় পৌঁছতে অতিক্রম করতে হয় সেখান থেকে আরো প্রায় তিন km (আন্দাজ) রাস্তা, এই তিন km যাওয়া দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।
যাই হোক, main রাস্তায় পৌঁছে hitchhike করে, নতুবা আরো কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে পৌঁছতে হবে Jakhama taxi stand এ। সেখান থেকে আবার share sumo towards Kohima (90/- per head).
শুরুর দিকে বলেছিলাম এক অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনার কথা। এবারে সেই প্রসঙ্গে আসি। যেদিন trek শেষ, আমাদের ফেরার flight ছিলো পরদিন দুপুর একটায়, Dimapur থেকে। Plan ছিল trek শেষ করে Kohima ফিরে সেখানে বিখ্যাত War memorial দেখে কাছাকাছি কোথাও stay করে পরদিন ভোরে Dimapur যাওয়ার। কিন্তু Kohima পৌঁছে lunch করতে করতেই বেজে গেলো 1545, আর memorial এর closing time 1600। এতদূর এসে Kohima র main tourist attraction টাও দেখা হলো না, সেই বিষণ্নতায় দিমাপুর ফিরে যাওয়ারই সিদ্ধান্ত হলো। 70 km রাস্তা, গাড়ি ছাড়লো, তখন ঘড়িতে আন্দাজ 1615hrs, National Highway 2, আসতে লেগেছে 2.5hr, what could possibly go wrong, কি আর হবে, তাই না?? কিন্তু হলো।
যাত্রা শুরু করেছিলাম। আমাদের তিনজনের মধ্যে আমি একা পুরুষসিংহ!! ![]()
। সহযাত্রী driver এর পাশের seat এ বসা এক local মহিলা আর মাঝের seat এ তিনজন যুবক, সম্ভবত কাজ করতে এসেছে এইদিকে। মাঝ রাস্তায়, হয়তোবা তারও কিছুটা আগে police ঘুরিয়ে দিলো অন্যদিকে, driver ও যেনো ভীষণ shock খেলো। কারন জানা গেলো, রাস্তার কাজ হচ্ছে, dynamite দিয়ে পাহাড় ফাটানো হবে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে প্রায়ই diversion নিয়ে অভ্যস্ত, high road থেকে নামিয়ে দেয়, usually 2km, worst case এ 5km detour নিয়ে আবার উঠে আসা যায় high road এ। তাই অবাকই হলাম driver এর shock পাওয়া দেখে। কিছুক্ষন পরে অবশ্য আমিও shock পেলাম, যখন অভ্যাসবশত map খুললাম। যে রাস্তায় চলেছি, প্রথমত সেটাকে ঠিক রাস্তা বলা যায় না, দ্বিতীয়ত সেই রাস্তা চলেছে সম্পুর্ন বিপরীতমুখী এবং যে পথে চলেছি, সেই পথেই ফিরে আসা ছাড়া আর কোনো পথ দেখাচ্ছে না গন্তব্যের অভিমুখে, তৃতীয়ত map এ এই রাস্তা exist করে না, চতুর্থত আসে পাশে ঘুটঘুটে অন্ধকার, পাশের জনবসতিও বিদ্যুৎ সংযোগবিহীন। হঠাৎ নিজেদের আবিষ্কার করলাম rural নাগাল্যান্ড এর ভিতরে, আরো পাঁচজন অচেনা মানুষের সাথে এক গাড়িতে। আশেপাশে কোনো গাড়ি নেই, জনবসতি নেই, ঘড়িতে সময় around 1800। আমি সাধারণত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভয় পাই না, কিন্তু সেদিন সত্যিই ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম। সেই ভাবেই কাটলো প্রায় ঘন্টা খানেক, তারপরে মোটামুটি map এ আন্দাজ পাওয়া গেলো কোন দিকে যাচ্ছি। আর driver এর shock পাওয়ার কারনটাও পরিষ্কার হলো। এই detour এর জন্য আমাদের যেতে হলো প্রায় দ্বিগুণ রাস্তা!! শেষমেষ প্রায় 2030hrs নাগাদ পৌছালাম Dimapur। ভাগ্যকে অনেক ধন্যবাদ আর মনে মনে driver আর co-passenger দের অনেক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে থাকার আস্তানার খোঁজ করা শুরু করলাম!! ছিলাম নাগাল্যান্ড government এর tourist lodge এ, station এর পাশেই, 4-bedded room 1200 টাকা।
পরদিন রবিবার। আমাদের flight 1300 নাগাদ। কাছাকাছি একটু ঘুরবো ভেবে বেরোলাম, কিন্তু বেরিয়ে আবার দুঃসংবাদ। রবিবার বাজার থেকে শুরু করে সবই বন্ধ থাকে দিমাপুরে। অগত্যা Nagaland Bamboo Research Center যাওয়ার পরিকল্পনা ত্যাগ করলাম। কাছেই Kachari Ruins দেখলাম বাইরে থেকেই।



















তবে শেষ করলাম একটু positive vibes নিয়েই। খোঁজ পাওয়া গেলো যে রবিবার একটা হাট বসে! এরম local হাটে ঘুরতে বেশ লাগে!! সেখানেই ঘন্টাখানেক ঘুরে hotel হয়ে airport। Station এর কাছ থেকেই auto পাওয়া গেলো, 300 টাকা, তবে parking এ ঢুকবে না!! আমাদের তাতে কি!! জুকু valley র দারুন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে এলাম বাড়ি!! ![]()
![]()
Dzukou Valley, Nagaland trip plan in 5 days
Travel Itinerary:
- Day 1:
- Reach Dimapur and take a cab to Kohima and another cab to Jakhama & stay
- Places to visit: Jakhama Naga heritage village, the venue of Hornbill festival
- Reach Dimapur and take a cab to Kohima and another cab to Jakhama & stay
- Day 2:
- Jakhama to Viswama by cab, trek to Dzouku valley and stay in trekkers hut
- Places to visit: Beautiful trek road
- Jakhama to Viswama by cab, trek to Dzouku valley and stay in trekkers hut
- Day 3:
- Explore Dzouku valley and stay
- Places to visit: The cross in the valley, old campsites, cave, the mountain in the back side of guest house for mobile signal
- Explore Dzouku valley and stay
- Day 4:
- Return trek via Jakhama route. Take shared cab to Kohima and another one for Dimapur. Stay at Dimapur
- Places to visit: If you reach early to Kohima, stay and do sightseeing
- Return trek via Jakhama route. Take shared cab to Kohima and another one for Dimapur. Stay at Dimapur
- Day 5:
- Dimapur sightseeing & return flight to Kolkata
Public Transport:
Apart from cab, shared vehicles are available in most of the places.
What to eat in Nagaland?
Naga cuisine and different meats(frog, insects etc) for experience
Shopping in Nagaland:
Buy exquisite handwoven shawls, tribal jewellery, crafted bamboo products and traditional Naga attire
Dzouku valley trip cost:
Approx ₹6k per person excluding flights
< Pratik, an Electrical Engineer by profession, is passionate about electric gadgets and loves to do DIY home automation kind of work himself. An avid traveller, who loves to plan his own trip with family, friends and senior citizens. Originally from the land of Nobel laureate Rabindranath Tagore, Bolpur-Santiniketan. Currently lives in Falakata, North Bengal. >




Your opinion matters. Is there anything I missed?