Lepchakha লেপচাখা

অনেককেই দেখেছি trek এ যেতে খুব interested, কিন্তু আশঙ্কায় থাকেন যে যেতে পারবেন কিনা। অমূলক আশঙ্কায় ভুগে সক্ষম হয়েও শেষমেষ অনেকের যাওয়া হয়ে ওঠেনা শুধুমাত্র সম্যক ধারণার অভাবে।

তাই full fledged trek এ যাওয়ার আগে ছোটো trial trek এ গিয়ে idea করে নেওয়াটা অবশ্যই ভালো।

আর আমাদের কাছাকাছিই overnight journey করে এরকম দুটো সুন্দর trek এ যাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে, একটা Versay Rhododendron sanctuary, আরেকটা Lepchakha। এই post Lepchakha নিয়ে।

আলিপুরদুয়ার যাওয়ার train এ জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে অনেক বাঁদর আর জায়গা বিশেষে হরিণ দেখুন। তারপরে ময়ূর খুঁজতে খুঁজতে খেয়াল করে রাজাভাতখাওয়া স্টেশনে নেমে পড়ুন। সেখান থেকে 4-wheeler এর সাথে কথাবার্তা final করে forest এর permission নিয়ে নিন (যদি নিয়ম ভাঙার ব্যাপারে বাতিক না থাকে, তাহলে auto র সাথে কথা বলুন। খরচা কম হবে, কিন্তু তার থেকেও বড় ব্যাপার forest permission নেওয়ার লম্বা লাইনে সময় নষ্ট এড়ানো যাবে। তবে বলে রাখা ভালো এটা বেআইনি, কোনোরকম case খেলে আমার দায় নয়)।

যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যাত্রা শুরু করুন, বক্সা মোড়ে হয়ে সান্তালাবাড়ি পেরিয়ে চলে আসুন গাড়ির রাস্তা যেখানে শেষ, সেখানে। এখান থেকে guide ভাড়া করে 4km হেঁটে আপনাকে পৌঁছতে হবে গন্তব্যে। আগের রাত থেকে train journey করে, তারপরে বেশ খারাপ রাস্তায় গাড়িতে/ auto তে এসে আপনি already যথেষ্ট ক্লান্ত। কিন্তু সন্ধে নামার আগে না পৌঁছলে খুব মুশকিল। তাই ডান দিকে বক্সা fort এর দিকে না তাকিয়ে হাঁটতে থাকুন। রাস্তা অল্পবিস্তর চড়াই, তাই নিজেকে মনে করান আপনি trek এর trial এ এসেছেন!! নবউদ্যমে হাঁটতে থাকুন, দম শেষ মনে হলে একটু দাঁড়িয়ে জল খেয়ে নিন। এইভাবেই চলতে চলতে যখন বেলা শেষের মুখে, আর আপনারও মনে হচ্ছে আর এক পাও চলা সম্ভব নয়, মোটামুটি সেই পর্যায়ে গিয়ে সামনে দেখতে পাবেন শ্বেতশুভ্র ছোট মন্দির। এইবারে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলুন, পৌঁছে গেছেন!! 😊😊

দিনের পড়ন্ত বেলায়.. শুধুই চড়াই!!
আহঃ শান্তি!! এই সেই মন্দির, যাত্রার সমাপ্তি!!

একটা tabletop এর মত জায়গা, ঠিক মধ্যিখানে একটা homestay, যেটাতেই লোকজন mostly booking করে। একদিকে পাহাড়, অন্যদিকে দিগন্ত বিস্তৃত valley। টলতে টলতে room এ ঢুকে এলিয়ে পড়ুন!!

পরদিন উঠুন সকাল সকাল। brush করতে করতে ওই দিগন্তবিস্তৃত valley র দিকে তাকিয়ে দেখুন। তিনটে নদী দেখতে পাবেন, যেগুলো আগের দিন ক্লান্তচোখে খেয়াল করেননি।

Most prominent homestay, right at the centre..
দিগন্ত বিস্তৃত valley…
অন্যদিকে পাহাড়শ্রেণী..

ওই tabletop এই আছে খাওয়ার দোকান, breakfast করেই বেরিয়ে পড়ুন। সাথে নিন towel, জল আর এক set dress। আজ trial trek এর second phase!! Homestay র লোকজনকে জিজ্ঞাসা করে নিন নদীর দিকে যাওয়ার রাস্তা। পায়ের grip আর শরীরের ভারসাম্য বজায় রেখে সরু রাস্তা ধরে তরতর করে নেমে আসুন। নদী দেখে সব ক্লান্তি চলে যাবে। পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে। ধবধবে সাদা পাথর, আর কাঁচের মতো স্বচ্ছ জল। ঠান্ডা ঠান্ডা শিরশিরানী অগ্রাহ্য করে হিমশীতল জলে নেমে পড়ুন। উঠতে ইচ্ছা করবে না, আমি guarantee দিচ্ছি।

যাই হোক, 11টার দিকে অল্প অল্প খিদে পাবে, আর তখনই আপনার খেয়াল হবে যে ফেরার রাস্তা পুরো চড়াই!! মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লেও উপায় নেই, খাওয়ার পাওয়ার জন্য পৌঁছতেই হবে উপরে!! অগত্যা…..

হ্যাঁচোর প্যাঁচোর করে,শরীরের শেষ বিন্দু ক্ষমতা নিঃশেষ করে approx. 3.5km পাহাড়ি পথে চড়ে যেই উপরে পৌঁছবেন, homestay র দাদা আপনাকে দেখেই বলবেন যে খাবার তো অনেক আগেই ready!! বাক্যব্যয় না করে হাঙ্গরের মতো খেয়ে নিন।

আমি অমৃত দেখিনি। কিন্তু……….
ওই নদীই গন্তব্য…
সাদা ধবধবে পাথর, আর স্বচ্ছ জল।।

কিছুক্ষন rest নিয়ে নিন। তিনটে নাগাদ আবার বেরিয়ে পরুন। এবারে আর বেশি চড়াই উৎরাই এর রাস্তা নয়। tabletop টা ঘুরে দেখুন, ভালোই লাগবে। দূরবীন সাথে থাকলে বিভিন্ন পাখিও দেখতে পাবেন। সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে ফিরে আসুন।

আজই শেষ রাত। Homestay র দাদাকে আগে থেকে বলে রাখুন। সন্ধে নামলেই live chicken barbeque এর ব্যবস্থা হয়ে যাবে!! সারা দিনের ক্লান্তির পরে আগুন পোহাতে পোহাতে ঝলসানো chicken!! আহঃ।। আবার মনে পড়ে গেলো!! 😋😋

পরদিন সকাল করে bag pack করে বেরিয়ে পড়ুন। আজ ফেরার পথে দেখতে হবে বক্সা fort, বা বলা ভালো fort এর একদমই রক্ষনাবেক্ষনহীন ধ্বংসাবশেষ। আমাদের সৌভাগ্য হয়েছিল fort এর সামনে তিরন্দাজি দেখার। উৎরাই রাস্তা, বেশি ক্লান্তি লাগবে না আজ গাড়ির রাস্তা অবধি পৌঁছতে। যদি energy থাকে, গাড়ি না নিয়ে, হাঁটতে থাকুন। অনেক পাখির আওয়াজ শুনতে শুনতে আর পাখি খুঁজতে খুঁজতে কখন সান্তালাবাড়ি পৌঁছে যাবেন, বুঝতেই পারবেন না। এখানে আরেক দফা অভুক্ত পেটে খাদ্য চালান করে গাড়ি করে চলে আসুন রাজাভাতখাওয়া স্টেশনে।

আর এই ভাবেই সম্পূর্ণ হবে আপনার trial trek!! Train এর wait করতে করতেই decide করে ফেলুন কোনটা হবে আপনার প্রথম full fledged easy trek. যাত্রা তো সব শুরু হলো…………. 👍👍

বিকেলে casual walk..
আহঃ 😋😋😋
ভাঙা কেল্লায় বিশ্রাম।। সাথে একটু তীরন্দাজি দেখা..
ফেরার রাস্তায় ক্লান্তি কম।
এই রাস্তায় কি ক্লান্ত হওয়া যায়, বলুন??
আরো একটু হাঁটা, সান্তালাবাড়ীর দিকে।

Lepchakha itinerary in 3D/2N

  • Day 1
    • Reach Santalabari(starting point of trek) from Rajabhatkhaoa Station in Alipurduar. Trek to Lepchakha (2-3 hours) & Stay @homestay
  • Day 2
    • Trek to the riverbed & explore. Enjoy bath in cold river water. Stay @homestay
  • Day 3
    • After breakfast trek back via Buxa Fort. Return journey towards Rajabhatkhaoa.

Travel Tips:

সবচেয়ে সুন্দর লাগে লেপচাখা থেকে পুর্ণিমার চাঁদ। তাই পুর্ণিমা ধরে ভ্রমণের প্ল্যান করুন ।

Best Season to travel to Lepchakha:

Winter & Spring (November to April) for the best view. Avoid rainy season.


Comments

Your opinion matters. Is there anything I missed?

Your email address will not be published. Required fields are marked *